সৌদি আরব থেকে সরকারি ডাক বিভাগের মাধ্যমে পাঠানো ২৯ দশমিক ৯০ কেজি ওজনের একটি পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরে এসে পাওয়া গেছে ১৯ দশমিক ৭০ কেজি। পার্সেলের ওজন প্রায় ১০ দশমিক ২০ কেজি কম পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই অনিয়মের বিষয়ে আপত্তি জানাতে গিয়ে ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ গ্রাহকরা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরে এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক পার্সেলটি সৌদি আরব থেকে প্রেরণের সময় নির্ধারিত ওজন ছিল ২৯ দশমিক ৯০ কেজি। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছানোর পর যখন তা মাপা হয়, তখন দাঁড়ায় মাত্র ১৯ দশমিক ৭০ কেজি। প্রায় ১১ কেজি ওজনের ব্যবধান কীভাবে তৈরি হলো, তা নিয়ে ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক কুরিয়ার ও ডাক সেবার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত হতাশাজনক। এর পেছনে কোনো সিন্ডিকেট জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি, এ ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক