কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলাতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এমন হামলার ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিউল আজমের আদালতে মামলার ছয় আসামি হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগে মহেশখালীতে একটি হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্ত করতে গেলে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। সেই সুযোগে আসামিকে ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলমের নাম উঠে আসে। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে এই ঘটনার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক