ইরান সাম্প্রতিক সময়ে সমুদ্রপথের পরিবর্তে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য বাড়ানোর দিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ঝুঁকছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান বন্দরগুলোতে পণ্য আনা-নেওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় আমদানি ও রফতানি কার্যক্রমে এই কৌশলগত পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তেহরান এই বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।
স্থলপথে বাণিজ্য বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সীমান্তপথগুলোতে পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি এবং সীমান্ত বাণিজ্যের ওপর চাপ দিন দিন বাড়ছে। এই বাণিজ্য পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে তুরস্কের সীমান্ত অঞ্চলে। এছাড়া অন্যান্য সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সঙ্গেও স্থলপথে যোগাযোগের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে যাতে বাণিজ্যের গতি শ্লথ না হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং আঞ্চলিক নানা জটিলতার কারণে ইরান সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্থলভিত্তিক বাণিজ্যের পরিধি দীর্ঘমেয়াদে আরও বাড়াতে পারে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিতেও বড় ধরণের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে তেহরানের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক