কয়েকটি বিমানবন্দরে ইরানিদের যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়ায় ইরাকের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এক উপদেষ্টা। আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি শুধু সমালোচনা করেই ক্ষ্যান্ত হননি, বরং ইরাকের সার্বভৌমত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, কোনো দেশের সাথে সম্পর্কের বৈধতা বা সিদ্ধান্তের বিষয়টি ওয়াশিংটন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতে পারে না।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন মোড় নিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনায় বা ইশারায় এই ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের পরিপন্থী। কূটনীতজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে ইরান তার মিত্র দেশগুলোর ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। ইরাকের অভ্যন্তরীণ নীতিতে বহিঃশক্তির প্রভাব নিয়ে তেহরানের এই অসন্তোষ ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো কূটনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে কি না, তা নিয়ে এখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মার্কিন প্রভাবের বিরুদ্ধে তেহরানের এই কঠোর অবস্থান আঞ্চলিক রাজনীতিকে আরও বেশি সংবেদনশীল করে তুলেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক