বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উভয়পক্ষই বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও ঘনিষ্ঠ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে দুই পক্ষই একমত পোষণ করেছে।
শনিবার আয়োজিত এই বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। বিশেষ করে সামরিক প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। অতীতে শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তুরস্কের সঙ্গে এই সুসম্পর্ক দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ গণমাধ্যমকে জানান যে, দুই দেশের বন্ধুত্বের ঐতিহাসিক বন্ধন এখন সময়ের চাহিদায় আরও বেশি অর্থবহ হয়ে উঠেছে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে যে স্থবিরতা ও আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে এখন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর ভিত্তি করে বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালিত হচ্ছে। বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদল আশা প্রকাশ করে বলেন যে, আগামী দিনে বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যকার এই প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব কেবল দুই দেশের জন্যই নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তায় এক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক