সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্রমূলক ও হীন ঘটনার তীব্র নিন্দা ও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘ মেধার লড়াই পার হয়ে যারা চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদ দেওয়ার এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং এটি এক ধরনের ফ্যাসিবাদী অপকর্ম।
শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী পোস্টে তিনি এই ক্ষোভ ও উদ্বেগের কথা জানান। তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলেও মেধাবী তরুণদের বঞ্চিত করার এমন বহু নজির সৃষ্টি করা হয়েছিল। জুলাই বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে এমন বৈষম্যমূলক ও হয়রানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল যে, বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশে প্রশাসন ও শিক্ষাখাত থেকে সকল প্রকার রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও দলীয়করণের সিন্ডিকেট চিরতরে বিলুপ্ত হবে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বিগত দিনে দেশের বিভিন্ন স্তরে হাজার হাজার মেধাবী তরুণ ও যোগ্য প্রার্থীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ট্যাগ লাগিয়ে অথবা ভেরিফিকেশনের নামে অন্যায়ভাবে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সেই অন্ধকার অধ্যায় এখনো প্রশাসনের কিছু রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়ে গেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি অবিলম্বে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধ করে তাদের দ্রুত চাকুরিতে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার জোর দাবি জানান এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে এই বিষয়ে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক