জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঝুঁকি ভাতা ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। মঙ্গলবার অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দীর্ঘদিনের একটি যৌক্তিক দাবির অবসান হলো এবং তাদের কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন তারিখে আহরিত ঝুঁকি ভাতার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এই বর্ধিত হার কার্যকর করা হবে। দেশের বিচার ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করার লক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কাজে নিয়োজিত কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের এই অবদানের কথা বিবেচনা করেই সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক প্রণোদনা বাড়ানোর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় কর্মরতদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বিগত দিনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিচার বিভাগের ওপর নানা ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ থাকলেও, বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগ ও এর সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলোর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নানামুখী সংস্কার কাজ চলছে। এর ধারাবাহিকতায় এই ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী দিনেও ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বাড়াতে এ ধরনের প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক