রংপুর নগরীর দাসপাড়ার রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে শক্ত আইনি প্রমাণ সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
রোববার রাতে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার সনাতন গণমাধ্যমকে জানান, মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রমাণের জন্য আসামিদের ডিএনএ Profiling অত্যন্ত জরুরি। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো অঞ্চলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তা হীনতা দেখা দেয়। স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করে আসছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল হাতে আসলে মামলার জট আরও দ্রুত খুলবে এবং জড়িত অন্যান্যদেরও আইনের আওতায় আনতে সুবিধা হবে। বিগত স্বৈরাচারী শাসন আমলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ধারাবাহিকতায় এমন নৃশংস অপরাধগুলো ঘটেছিল বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি প্রতিটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও গুরুত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক