জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের মৌলিক অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান প্রশাসন সবসময় সচেষ্ট রয়েছে।
একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, অতীতে দেশের মানুষের ওপর নেমে আসা সকল রাজনৈতিক নিপীড়ন ও দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র উপহার দেওয়াই আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এর আগে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল বলে সাংবাদিকদের জানান সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘমেয়াদী অপশাসনের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলোর একক আধিপত্য ও সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের কারণে শিক্ষাঙ্গনগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল। সেই অন্ধকার যুগ পেরিয়ে বর্তমান সরকার একটি শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে অবিচলভাবে এগিয়ে চলছে। দেশের প্রতিটি স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের সংস্কারমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে দেশের যেকোনো সংকটে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সাধারণ মানুষের মতামতকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দেশের যুবসমাজকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং আধুনিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেও সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক