নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাবেন কি না, সে বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। মঙ্গলবার এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা জানান। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং কূটনীতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সুফল হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে দেশের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এ বিষয়ে এই মুহূর্তে নতুন কোনো আপডেট বা ঘোষণা নেই। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দেশের কূটনীতি আরও বেশি জনকল্যাণমুখী এবং ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানান কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক একমুখী ও সংকীর্ণ হয়ে পড়েছিল। সেই ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। কিন্তু বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সমতার ভিত্তিতে কূটনীতি পরিচালিত হচ্ছে। ব্রিকস সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সঠিক সময়ে সরকারের পক্ষ থেকেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক