ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, নির্বাচনের আগে অনেকেই টুপি পরেন, মসজিদে যান এবং আলেমদের সঙ্গে থাকেন। কিন্তু নির্বাচনের পর সংসদে গিয়ে ইসলামবিরোধী আইন বাস্তবায়ন করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড তাদের কথা ও কাজের মধ্যে অসামঞ্জস্যের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় মূল্যবোধকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে, যা সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় সুনামগঞ্জ জেলায় আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিশেষ করে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। জনগণের অধিকার হরণ করে এবং আলেম-ওলামাদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে।
মুফতি আলী হাসান উসামা তার বক্তব্যে উপস্থিত জনতাকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসলাম কখনো কোনো জবরদস্তি বা অন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয় না। তাই আগামী দিনে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের তৌহিদি জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই দেশ সবার, তাই ধর্মের নামে কোনো ধরনের প্রতারণা এ দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ আর বরদাস্ত করবে না বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক