প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, যেহেতু দীর্ঘদিন থেকে আমরা বোয়িং অপারেট করি, বোয়িংয়ের যে পুরো সাপোর্টিং স্টাফ, সেটা আমাদের অনেকটা প্রস্তুত আছে, প্রশিক্ষিত আছে; সেই কারণেই আমাদের বোয়িংয়ের প্রতি কিছুটা বেশি চুজ করার প্রবণতা আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন বিমান ক্রয় প্রক্রিয়া এবং দেশের এভিয়েশন খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এই ব্যাখ্যা তুলে ধরেন তিনি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীতি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এভিয়েশন খাতের এই সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিমান পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বর্তমান প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন কেনাকাটায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও, বর্তমান সরকার প্রতিটি পদক্ষেপে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। এ সময় কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমলের বিভিন্ন বিতর্কিত চুক্তি ও সিদ্ধান্ত নিয়েও বিভিন্ন মহলে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য উপদেষ্টার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিমান ক্রয়ের পেছনের কারিগরি ও ব্যবহারিক দিকগুলো স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক