ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, রোববার ভোরে তারা একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের দাবি, এই সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী হামলায় উভয় জাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বাধ্য হয়ে ওই এলাকা থেকে দ্রুত সরে যায়। এই সামরিক ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা শুধু তেহরানের সামরিক শক্তির প্রদর্শন নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক নতুন বার্তা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং জ্বালানি সরবরাহের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলের জলসীমায় মার্কিন সামরিক তৎপরতা পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক