জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়, গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের দাবিতে আগামীকাল শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চের সমাপনী কর্মসূচি হিসেবে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে এক বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই কর্মসূচিকে সফল ও সার্থক করে তুলতে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই লংমার্চ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে এ ধরনের কর্মসূচি জনমত গঠনে বিশেষ সাহায্য করে। আয়োজক দলগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের যে উইন্ডো তৈরি হয়েছে, তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
এদিকে, কার্যতঃ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ তাদের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলোর নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা সত্ত্বেও দেশের সাধারণ জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। জনগণের এই জোয়ারকে থামিয়ে রাখা যাবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামীকালের লংমার্চ ও লালদিঘীর সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সফল হবে এবং তা দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক