স্পিকারের আহ্বানে সাড়া দিতে সংসদে উপস্থিত ছিলেন না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি. এম. নজরুল ইসলাম। এর ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বাতিল করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রীদের প্রশ্ন করার জন্য সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হলেও এই অনুপস্থিতির কারণে নির্ধারিত প্রশ্নটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিতে বাধ্য হন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য তার নিজের উত্থাপিত প্রশ্নের সময় উপস্থিত না থাকলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রে এই নিয়মগুলো অত্যন্ত কঠোরভাবে পালন করা হয় যাতে কার্যদিবসের সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে। সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের মেরুকরণ এবং সংসদীয় কার্যক্রমের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা গণতন্ত্রের গতিপ্রকৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও তাদের নেতৃবৃন্দের কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও গভীর আগ্রহ রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধিদের এমন অনুপস্থিতি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থের বিষয়গুলোকে আলোচনা থেকে পিছিয়ে দেয়। এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংসদের যে রীতিনীতি ছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে কার্যকর ও অংশগ্রহণমূলক সংসদ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছেন দেশবাসী। একই সাথে কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন মহ악েন্দ্রিক অপশক্তির নানা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক