সৌদি আরবের কাছে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের শক্তিশালী বোমা, গাইডেন্স কিট ও অন্যান্য অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় ও পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগ বিশ্ববাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত শুক্রবার মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অস্ত্র বিক্রির সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র ও গণমাধ্যমকে জানান যে, ইরান যুদ্ধ চলাকালে সৌদি আরবের কাছে এই বিশাল পরিমাণের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। মার্কিন নীতিনির্ধারক ও প্রতিরক্ষা বিভাগ মনে করছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখার স্বার্থেই রিয়াদের কাছে এই সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা জরুরি ছিল।
এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির গাইডেন্স কিট এবং নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম বোমা সরবরাহ করা হবে, যা দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করবে। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর একাংশ এই অস্ত্র বিক্রির সমালোচনা করে এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও সামরিক মিত্রতা অক্ষুণ্ণ রেখেই এই বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছে উভয় দেশ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক