আমি সোনালী ব্যাংকের এজিএম ম্যানেজার, আমি চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা। এই উপজেলার ইউএনও আমার দুই গ্রেড নিচে ষষ্ঠ গ্রেডে চাকরি করেন। আমি এই উপজেলার বড় কর্মকর্তা। আমি যা বলি তাই আইন, ব্যাংক আমার কথায় চলে। রংপুরের পীরগাছা সোনালী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সেবা প্রত্যাশী সাধারণ গ্রাহকদের সাথে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও নানা অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গ্রাহক ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকটিতে সেবা নিতে গেলে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামানের মনগড়া নিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকার ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ব্যাংকিং নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে তিনি নিজের খেয়ালখুশিমতো ব্যাংক পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে একাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের জানান, ব্যাংকে কোনো কাজে গেলে ব্যবস্থাপকের দেখা পাওয়া যায় না, আর পেলেও তিনি চরম দুর্ব্যবহার করেন। সাধারণ মানুষের সাথে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। অথচ রাষ্ট্রায়ত্ত এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও উল্টো তাদের হয়রানি করা হচ্ছে।
এদিকে এ ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ। তারা অবিলম্বে অভিযুক্ত শাখা ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ গ্রাহকরা নির্বিঘ্নে ও মর্যাদার সাথে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক