ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনকে দেশটির অনেক নাগরিক তাদের জীবদ্দশার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখছেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশটির নেতৃত্বের পরিবর্তন আনতে এবং পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিতে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাসকারী একদল ইসরাইলি নাগরিক ভোট দিতে প্রায় ৬০০০ হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে নিজেদের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সুদূর প্রবাসে থেকেও দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে তাদের এই দীর্ঘ ভ্রমণ বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন, ইসরাইলের বর্তমান রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের ভেতর এবং বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক শক্তিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রবাসে থাকা ভোটারদের এই দূরপাল্লার যাত্রা প্রমাণ করে যে দেশের গণতন্ত্র ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা কতটা উদ্বিগ্ন।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এই ধরনের রাজনৈতিক ঘটনাগুলো পরোক্ষভাবে বিশ্ব রাজনীতির গতিপ্রকৃতিও প্রভাবিত করে। তবে দেশের ভেতরের রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ ও নাগরিক সমাজের তৎপরতা এখন তুঙ্গে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সুদূরপ্রবাস থেকে ভোট দেওয়ার এই ব্যাকুলতা ইসরাইলের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক