জোর করে কাউকে ধর্ম পালনে বাধ্য করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। তিনি জানান, ধর্মীয় স্বাধীনতা দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার এবং এর ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, দেশের সংবিধানে মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ইমান ও আস্থা পুনঃস্থাপন করতে হবে। সেই সঙ্গে নিয়মিত নামাজ কায়েম এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে যাকাত ব্যবস্থা চালুর জোরালো দাবি জানান তিনি।
সংসদ সদস্যদের নিজেদের আমল ও চরিত্রের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে তিনি আরও বলেন, পবিত্র সংসদের ভেতরে নামাজের বিরতির সময়টিকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে ইবাদত ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে। সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নৈতিকতার মানদণ্ড বজায় রাখার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের আলোচনা সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্র যোগ করেছে। বিশেষ করে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত আমলের বিভিন্ন বিতর্কিত নীতির পর ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের বিষয়টি এখন বেশ জোরালোভাবে সামনে আসছে।
অপরদিকে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশ নতুন গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় দেশের আইন প্রণয়ন ও শাসনব্যবস্থায় ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঠিক প্রতিফলন ঘটানোর জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক