পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জাল শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ভিডব্লিউবি অর্থাৎ ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট প্রকল্পে চাকরি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আছিয়া খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, কোনো ধরনের বৈধ ও সঠিক শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ওই নারী অত্যন্ত সংবেদনশীল এই সরকারি প্রকল্পে চাকরি বাগিয়ে নেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ভিডব্লিউবি প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করার কথা থাকলেও অভিযুক্ত আছিয়া খাতুন সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে একটি ভুয়া সনদ দাখিল করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এই ধরনের জাল সনদ তৈরি ও বিতরণের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। মূলত তাদের সহায়তায় এবং অসদুপায়ে এই জালিয়াতি করা সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, এই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক। যদি অভিযোগের সত্যতা মেলে, তবে শুধু অভিযুক্ত আছিয়া খাতুনকেই নয়, এর পেছনে থাকা কুশীলব ও চক্রের অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
আরববাংলা টিভি