নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় একটি পবিত্র সীরাত ও দোয়া মাহফিলে হামলার ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার আকস্মিকতায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আয়োজকদের শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় আয়োজনটি হামলাকারীদের তাণ্ডবে সম্পূর্ণ পণ্ড হয়ে যায় এবং নির্ধারিত কর্মসূচি বাতিল করতে বাধ্য হন তারা। এই অনভিপ্রেত ঘটনার পর স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে আয়োজকেরা জানান, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ডোমার উপজেলায় উক্ত সীরাত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারী অতর্কিতভাবে মাহফিলস্থলে চড়াও হয় এবং ভাঙচুর চালায়। এতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আয়োজকদের অভিযোগ, হামলা চলাকালীন এবং পরবর্তীতে এই বিষয়ে স্থানীয় থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসন আশানুরূপ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে পতিত স্বৈরাচারী শক্তির দোসররা। বিশেষ করে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের সমমনা দলগুলোর কর্মীরা অতীতেও এমন উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এই হামলার নেপথ্যেও সেই একই চক্রের ইন্ধন থাকতে পারে। সাধারণ মানুষ দ্রুত এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আরববাংলা টিভি