বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা নিয়ে সম্প্রতি যে বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক ও সত্যের অপলাপ বলে জোরালো মন্তব্য করেছে সংস্থাটি। মূলত দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী নেতৃত্ব বা নারীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে, যেখানে টিআইবি তাদের গবেষণায় কাঠামোগত ঘাটতির কথা তুলে ধরেছিল।
টিআইবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, জামায়াতে ইসলামীর নীতিনির্ধারণী বা কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারীদের কার্যকর ও বাস্তবসম্মত অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যে শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে, তা তাদের গবেষণায় অত্যন্ত স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টিআইবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক বিকাশ এবং সব রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের স্বার্থেই এ ধরনের গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য এই ধরনের বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা এবং গবেষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। টিআইবি আশা প্রকাশ করেছে যে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য না দিয়ে বরং অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা ও নারী অধিকারের বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক