মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ২:৫৬ পূর্বাহ্ণ

যাত্রীর লাগেজ, শরীর, বিমানের আসনের নিচে কিংবা শৌচাগার—স্বর্ণ চোরাচালানের নানা কৌশল ধরা পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এক চালানেই উদ্ধার হয়েছে ১০৫ কেজি স্বর্ণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও শত শত ঘটনায় স্বর্ণ জব্দ হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন বাহক ও যাত্রী, হয়েছে মামলাও। তবে এসব চালানের পেছনে যারা মূল অর্থায়ন করেন এবং কারবার পরিচালনা করেন, সেই সিন্ডিকেটের মূল হোতারা বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দর কেন্দ্রিক এই অপরাধ চক্রের সাথে আন্তর্জাতিক কিছু চোরাচালানি সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একের পর এক স্বর্ণ আটকের ঘটনা ঘটলেও মূল কারবারিরা রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যানুযায়ী, সাধারণ কুরিয়ার বা বাহক হিসেবে মূলত দরিদ্র বা লোভের বশে কিছু ব্যক্তিকে ব্যবহার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযে কেবল এই বাহকরাই পুলিশের জালে ধরা পড়েন। কিন্তু আসল গডফাদাররা পর্দার আড়ালে থেকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। ফলে স্বর্ণ চোরাচালানের এই রমরমা বাণিজ্য দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কার্যকর ও কঠোর গোয়েন্দা নজরদারির অভাব এবং রাঘববোয়ালদের আইনের আওতায় না আনার কারণেই এই অপরাধ রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু বাহকদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েও মূল হোতাদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না, কারণ অনেক সময় বাহকরাও সিন্ডিকেটের শীর্ষ কর্তাদের চেনেন না। কাস্টমস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে যদি আরও সুনির্দিষ্ট এবং প্রযুক্তিগত আধুনিক উপায়ে অভিযান পরিচালনা করে, তবেই এই চক্রের মূল শিকড় উৎপাটন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরববাংলা টিভি/ডেস্ক

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD