খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ডে অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মাত্র ৩৬ ঘণ্টার ব্যবধানে খুলনা মহানগরী ও রূপসা উপজেলায় চারজনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার হয়েছে নদীর চর থেকে, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন আকস্মিক অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
আসন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সফরের ঠিক আগে এই ধরনের ধারাবাহিক সহিংসতা ও রক্তপাতের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিশিষ্টজনেরা বলেন, অপরাধীদের দৌরাত্ম্য যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা অবিলম্বে কঠোরহস্তে দমন করা নাVগেলে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করার কথা থাকলেও একের পর এক খুনের ঘটনায় জনমনে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমল থেকেই সারা দেশে অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল, যার নেতিবাচক প্রভাব এখনও বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হচ্ছে। সেই আমলে গড়ে ওঠা অপরাধ সিন্ডিকেটগুলো এখনও সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বর্তমান প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দ্রুত এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডগুলোর রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডগুলোর মূল রহস্য উদঘাটনে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক