তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
বুধবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মুক্ত মতপ্রকাশ এবং তথ্য ও সম্প্রচার খাতের আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বাংলাদেশে অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে রয়েছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়েছে, তারও প্রশংসা করেন মার্কিন এই কূটনীতিক।
জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, বর্তমান সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বকীয়তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠ যেভাবে রোধ করা হয়েছিল, বর্তমান প্রশাসন সেই সংস্কৃতির পুরোপুরি অবসান ঘটাতে চায়। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি তথ্য ও সম্প্রচার খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সামনে তুলে ধরেন। বৈঠকে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক