মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা চালের মান নিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিতরণ করা চালের মান অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ায় এবং তাতে পোকা থাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ ধরনের জনদুর্ভোগের ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা এলাকায় সরকারের নির্ধারিত ডিলারের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের মাঝে সুলভে চাল বিতরণের কথা থাকলেও, বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে। গরিব মানুষের কষ্ট লাঘবের এই মহৎ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময়েও বিভিন্ন দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তবে বর্তমান সময়েও এমন অনিয়ম কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা গণমাধ্যমকে জানান, ডিলারের কাছ থেকে যে চাল সংগ্রহ করা হয়েছে, তার প্রায় প্রতিটি বস্তাতেই মরা পোকা, ধানের তুষ এবং নিম্নমানের চালের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এই চাল খাওয়া তো দূরের কথা, পশুকে খাওয়ানোরও উপযোগী নয়। অথচ অত্যন্ত কষ্টে দিনযাপন করা হতদরিদ্র মানুষগুলো সরকারের এই সহায়তার ওপর ভরসা করে লাইনে দাঁড়িয়ে চাল সংগ্রহ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, চাল বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিম্নমানের চাল দ্রুত পরিবর্তন করে ভালো চাল বিতরণ করা হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক