কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবার রাজকীয় ক্ষমার বা আমিরি ক্ষমার আওতায় দেশটির বিভিন্ন কারাগার থেকে মোট ৯৪ জন বন্দি মুক্তি লাভ করেছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) এই বিশেষ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে বলে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। আমিরের এই মহানুভবতা ও ক্ষমার ফলে কারাবন্দին অনেক প্রবাসী ও স্থানীয় নাগরিক তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেলেন।
কুয়েতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দিদের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া এবং তাদের অপরাধের ধরন ও কারাজীবনের আচার-আচরণ বিবেচনা করেই এই রাজকীয় ক্ষমার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে সাধারণত বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও বিশেষ ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় উপলক্ষকে কেন্দ্র করে আমিরি ক্ষমার রেওয়াজ রয়েছে, যার মাধ্যমে লঘু অপরাধে দণ্ডিত বন্দিরা সাধারণ ক্ষমা লাভ করে থাকেন।
এই রাজকীয় ক্ষমার মূল উদ্দেশ্য হলো বন্দিদের মধ্যে অনুশোচনা তৈরি করা এবং তাদেরকে সংশোধন ও ভালো নাগরিক হিসেবে সমাজে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া। কুয়েত সরকারের এই পদক্ষেপে মুক্তি পাওয়া বন্দিদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে দেশের আইনকানুন মেনে চলবেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক