সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে এর তীব্র বিরোধিতা করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে বলে তারা মনে করেন।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াতের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতারা জানান, সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে চরম কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছে, ঠিক সেই সময়ে জনপ্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধির যেকোনো উদ্যোগ জনস্বার্থের পরিপন্থী হবে। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জনগণের অর্থ লুটপাটের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে এখন কৃচ্ছ্রসাধন করা অত্যন্ত জরুরি।
উল্লেখ্য, অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারগুলোর আমলে জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে বারবার মন্ত্রী ও এমপিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছিল, যার ফলে বৈষম্য আরও তীব্র আকার ধারণ করে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এ ধরনের কোনো অযৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে দলটি। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারি ব্যয় কমানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক