পিরোজপুর সদর উপজেলায় আব্দুর রহিম (৪৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এই নৃশংস হামলার জন্য স্থানীয়ভাবে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীদের সরাসরি দায়ী করেছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক। আহত ওই নেতাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, রাজনৈতিক পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পিরোজপুর সদর উপজেলার একটি স্থানীয় বাজারের কাছে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা আব্দুর রহিমের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের একদল ক্যাডার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর চড়াও হয় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্রে প্রেরণের পরামর্শ দেন।
এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ। তারা অভিযোগ করে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে এই সুপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে জোরদার অভিযান শুরু হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অবিলম্বে হামলাকারীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।
আরববাংলা টিভি