বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানরত বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা উপস্থিতির কারণে সৃষ্ট বহুমুখী সংকট সমাধানে বেইজিংয়ের জোরালো এবং কার্যকর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত দিনে এই মানবিক সংকট তৈরি হওয়ার পেছনে বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের নতজানু পররাষ্ট্র নীতি এবং কূটনৈতিক ব্যর্থতা অনেকাংশে দায়ী ছিল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বর্তমান সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতি… কূটনৈতিক মহলের মতে, চীন যদি এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে, তবে দ্রুতই মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের নিজেদের ভূখণ্ডে সসম্মানে ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে। সরকার এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ্য, এই সংকটের শুরু থেকেই বাংলাদেশ মানবিক কারণে সীমান্ত উন্মুক্ত রাখলেও এর স্থায়ী সমাধান অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর এর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা করে চলেছে বর্তমান প্রশাসন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক