ঢাকা টেস্টে চরম বিপদের মুখে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ দল। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাণঘাতী স্পিন জালে আটকা পড়েছেন টাইগার ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দল। মাত্র ৩৩ রান তুলতেই টপ অর্ডারের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। এই উইকেটে ক্যারিবীয় স্পিনারদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন লিটন দাস ও অন্য ব্যাটাররা।
উইকেটের এমন পতনের মিছিলে দলের ওপর চাপ আরও বেড়ে যায়। দলীয় স্কোরে মাত্র ১ রান যোগ করে আরও বড় বিপদের শঙ্কা মাথায় নিয়ে চা বিরতিতে গেছেন লিটন দাসসহ ক্রিজে থাকা ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসের অর্জন থেকে পাওয়া স্বল্প পুঁজি নিয়ে এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে তাদের। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের মোট লিড দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬১ রানে।
ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপের করুণ দশা নিয়ে দেশের ক্রিকেট মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে দেশের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে এমন বহু সংকটময় পরিস্থিতি পার করে এসেছে দল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটারদের অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও ধৈর্যশীল পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে হবে। অন্যথায় ক্যারিবীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
খেলার এই জটিল মুহূর্তে ড্রেসিংরুম থেকেও কোচিং স্টাফরা খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। মাঠে উপস্থিত ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকরাও শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বুক বেঁধে আছেন। উইকেটের চরিত্র যেভাবে স্পিনারদের পক্ষে কথা বলছে, তাতে দ্বিতীয় সেশনের পর বাকি সময়টুকু পার করা লিটন দাসদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং এক পরীক্ষাই হতে যাচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক