বাংলাদেশের দেওয়া ২৭২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রানে অলআউট হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর আগে ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৩৪ রান সংগ্রহ করেছিল ক্যারিবীয়রা। তৃতীয় দিনের শুরুটাও বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিল সফরকারীদের। কোনো বড় বিপদে না পড়ে তারা দলীয় স্কোরে আরও রান যোগ করতে থাকে। দু উইকেটে ৭৯ রান যোগ করে তারা মধ্যাহ্নবিরতিতে যায়, যা তাদের ইনিংসে বেশ ভালো একটি ভিত গড়ে দিয়েছিল।
তবে মধ্যাহ্নবিরতির পর খেলার সম্পূর্ণ লাগাম নিজেদের হাতে তুলে নেয় বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ বোলারদের আঁটসাঁট বোলিং এবং ফিল্ডারদের দারুণ নিবেদন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। বিশেষ করে স্পিনার নাঈমের ঘূর্ণি বিষাক্ত আক্রমণে ভেঙে পড়ে ক্যারিবীয়দের মিডল ও লোয়ার অর্ডার। নাঈমের চমৎকার বোলিং নৈপুণ্যে মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে দ্রুত গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।
এই টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশ দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে। প্রথম ইনিংসে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল সংগ্রহের পর বোলাররা প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়। বিশেষ করে নাঈমের ঘূর্ণি জাদু ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপকে ধ্বিয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ম্যাচের পরবর্তী ইনিংসে বাংলাদেশ আরও বড় লিড নিয়ে প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বলে জানা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক