সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়ে যারা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। সরকারি বাসা বরাদ্দ পাওয়ার পর যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী পুরো ফ্ল্যাট বা আংশিক বাসা সাবলেট হিসেবে অন্য কারো কাছে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সেই ভাড়াটিয়াদের অবিলম্বে অপসারণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিজ দায়িত্বে নিজেদের বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটে বা বাসায় নিয়মিতভাবে অবস্থান করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ বিষয়ে একটি অত্যন্ত জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি এই নির্দেশনা যদি কোনো বরাদ্দগ্রহীতা অমান্য করেন বা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সাবলেট ব্যবসা অব্যাহত রাখেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি বিনা নোটিশে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ বাতিলসহ সরকারি কোয়ার্টার থেকে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের মতো শাস্তিও দেওয়া হতে পারে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সংকট নিরসনে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু একটি অসাধু চক্র বরাদ্দ পাওয়া সরকারি ফ্ল্যাট বা বাসা নিজেরা ব্যবহার না করে অবৈধভাবে সাবলেট দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই জনগুরুত্বপূর্ণ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকে জানান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। আগামী ৩১ অক্টোবরের নির্ধারিত ডেডলাইনের মধ্যে দেশের সকল সরকারি আবাসন এলাকায় এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য বিশেষ মনিটরিং টিম কাজ করছে বলে জানা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক