নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আজিজের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ এআই দিয়ে তৈরি নাকি আসল, তা উদঘাটন করতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে যখন গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয় ভিডিওটিতে থাকা ব্যক্তি এমপি আবদুল আজিজ। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করতে এবং প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এই তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি ভিডিওটির ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান যুগে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ডিপফেক বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও তৈরি করা অত্যন্ত সহজ হয়ে গেছে। তাই কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এই ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই আসল ঘটনা দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনার পেছনে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ চক্রের হাত থাকতে পারে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে এবং জনপ্রিয় রাজনীতিবিদদের হেয় প্রতিপন্ন করতে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক