এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম বা ইপিএস কোটা পূরণ এবং দ্রুত কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর এই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বা এইচআরডি কোরিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের আলোচনায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজার আরও প্রসারিত করা এবং কোটা জটিলতা দূর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর বৈঠকে বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দক্ষ কর্মী তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। এইচআরডি কোরিয়ার প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের কর্মীদের কর্মদক্ষতা ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মী পাঠানোর দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা অনেকটাই হ্রাস পাবে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে কর্মী পাঠাতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের এই ধরনের কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক