ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় সাচরা ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমান ও তার সহকারী পরিচয় দেওয়া মো. রাকিবের বিরুদ্ধে নথিপত্র বা খতিয়ানের তথ্য সরবরাহের নামে সাধারণ সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ঘুষ দাবির একটি ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ বিভিন্ন অজুহাতে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে জানান, সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও প্রতিটি ফাইলের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রকাশ্যে দরকষাকষি করে ঘুষের টাকা লেনদেন করা হচ্ছে, যা সরকারি কর্মচারী বিধিমালা এবং সেবামূলক মানসিকতার পরিপন্থী।
এদিকে এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। সাধারণ নাগরিকরা অবিলম্বে এই দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যেন ভবিষ্যতে কেউ এভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার সাহস না পায়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক