ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইউরোপের কয়েকটি বিমানঘাঁটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কোথাও সরাসরি হামলার জন্য মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও ব্যবহার করা হয়েছে পরিবহন, আকাশে জ্বালানি সরবরাহ, মেরামত ও সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য। আবার কোনো কোনো দেশ তাদের ভূখণ্ড ও ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে এই সামরিক কার্যক্রমে পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে বলে সাংবাদিকদের জানান সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং সামরিক কৌশল বাস্তবায়নে ইউরোপীয় মিত্রদের ঘাঁটিগুলোর ওপর ওয়াশিংটনের নির্ভরতা দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক এই সংঘাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সামরিক অবকাঠামোকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ঘটনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ঘাঁটিগুলোর এই ব্যবহার বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর বহুমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তার ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যৎ কৌশলগত পদক্ষেপগুলো।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক