ভাগ্য বদলাতে শীতকালীন ফসল আলু বপন ও জমি প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের চাষিরা। ধান কেটে আগাম আলু চাষে রীতিমতো চলছে প্রস্তুতির উৎসব। গত বছর সেভেন জাতের আগাম আলুতে ৬০ দিনে বিঘাপ্রতি ৩৫-৪০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। ফলে আগাম আলু চাষ এই এলাকার কৃষকের ভাগ্য বদলের ফসলে রূপ নিয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে আগাম আলু চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকরা এখন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সময়মতো সার ও বীজ পাওয়ার মাধ্যমে নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাচ্ছেন। বিগত বছরগুলোতে যারা আগাম আলু চাষ করেছিলেন, তারা বাজারে এর ভালো দাম পেয়েছেন। এর ফলে চলতি মৌসুমেও চাষিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মাঠ পর্যায়ে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জমি প্রস্তুতকরণ, বীজ রোপণ এবং পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। স্থানীয় কৃষকরা আশাবাদী যে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমেও আলুর বাম্পার ফলন হবে এবং তারা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে আসছে যাতে উৎপাদনের ধারা অব্যাহত থাকে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক