ম্যাচের প্রথম গোলটি হলো খেলার মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায়। এরপর নির্ধারিত ৯০ মিনিটের সময় গিয়ে হলো শেষ গোলটি। আপনি যদি ভেবে থাকেন যে এটিই ম্যাচের শেষ, তবে আপনি বড় ভুল করবেন। কারণ, খেলার এই শুরু ও শেষের গোলের ঠিক মাঝখানে আরো আটটি বল জড়িয়ে যায় বাংলাদেশের জালে। এভাবেই নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচের চূড়ান্ত ফল দাঁড়ায় বাংলাদেশ শূন্য এবং উত্তর কোরিয়া দশ গোল।
এটি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের জন্য একটি চরম হতাশার ও বড় ব্যবধানের পরাজয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে বাংলাদেশ নারী দল এই প্রথম কোনো ম্যাচে এত বেশি গোল হজম করল। ম্যাচজুড়ে উত্তর কোরিয়ার খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মক ও গতিশীল খেলার সামনে সম্পূর্ণ টিকতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো ম্যাচেই একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখে খেলেছিল শক্তিশালী উত্তর কোরিয়া।
এই শোচনীয় পরাজয়ের পর বাংলাদেশ দলের রক্ষণভাগের ভঙ্গুর দশা এবং মিডফিল্ডের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে এবং পরাশক্তি দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াকু মানসিকতা তৈরি করতে হলে নারী ফুটবল দলের প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন যে আরও বাড়াতে হবে, তা এই ম্যাচের ফলাফলেই প্রতীয়মান হয়েছে। দেশের ক্রীড়া বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বড় হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর জন্য দলকে নতুন পরিকল্পনা ও কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে প্রস্তুত করতে হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক