ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হলেও তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সদ্য গঠিত প্রতিরক্ষা জোট এখনো কোনো যৌথ সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। গত মাসে মক্কায় তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আন্তর্জাতিক মহলে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই জোট গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে হুথিদের সাম্প্রতিক আক্রমণগুলোর পরও জোটটি সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে চাচ্ছে না। এর পেছনে কূটনৈতিক ও ভূরাজনীতির নানা হিসাব-নিকাস কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সৌদি আরব এবং এর মিত্ররা কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। সামরিক পদক্ষেপ নিলে তা পুরো অঞ্চলে আরও বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে মক্কা জোটের সদস্য দেশগুলো।
উল্লেখ্য যে, অতীতে এই অঞ্চলের বিভিন্ন সংকটে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, অচিরেই এই বিষয়ে একটি যৌথ রূপরেখা ঘোষণা করতে পারে জোটের নেতৃত্ব।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক