অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা এগারো হাজার কোটি টাকা পাচারের কাল্পনিক অভিযোগ গত জানুয়ারি মাস থেকেই কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের বিভিন্ন প্রোপাগাণ্ডা পেজ থেকে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হচ্ছিল। এই মিথ্যা প্রচারণাগুলো মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ও সম্পূর্ণ সূত্রবিহীন প্রতিবেদন ছিল, যা সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা মাত্র।
সাত মাস আগে এআই দিয়ে তৈরি সেই কুৎসা রটনাকারী প্রতিবেদনে যে হিসাব দেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে অবিকল সেই একই হিসাব দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দেওয়া অভিযোগেও ব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে এবং বর্তমান প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই ধরনের ভিত্তিহীন ও সাজানো অপপ্রচার নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে বলা হয় যে, এই ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে সচেতনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি সত্যতা যাচাই করে সংবাদ প্রচারের বিকল্প নেই। বিগত দিনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এ ধরনের বহু ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার নজির রয়েছে, যা আজও তাদের গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অব্যাহত রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক