বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছেন অভিজ্ঞ কোচ ও সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাহমুদ সুজন। ক্রিকেটের নানা সংকটে আপৎকালীন সময়ে তিনি একাধিকবার জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্বও অত্যন্ত সফলভাবে সামলেছেন। দেশের ক্রিকেটের দুঃসময়ে বা রদবদলের মুহূর্তে তিনি সবসময় দলের প্রয়োজনে এগিয়ে এসেছেন। তবে নানান সমীকরণ ও বোর্ডের পরিকল্পনা সাপেক্ষে কখনই তাকে দীর্ঘমেয়াদী বা পূর্ণ মেয়াদের হেড কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা তরুণ ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করছেন। সম্প্রতি এক আলাপকালে তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে, দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যদি কখনো তাকে জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানায়, তবে তিনি সেটি গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন।
দেশের ক্রিকেটের বর্তমান প্রেক্ষাপট, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের পারফরম্যান্স এবং আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্থানীয় কোচদের ভূমিকা নিয়ে ক্রীড়া অঙ্গনে প্রায়ই নানা আলোচনা হয়ে থাকে। বিশেষ করে জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে দেশি কোচদের অন্তর্ভুক্তি এবং তাদের মূল্যায়ন নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের মাঝে সবসময়ই আগ্রহ দেখা যায়। খালেদ মাহমুদ সুজনের মতো অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটারের এমন মন্তব্য দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি এবং আধুনিক ক্রিকেটের সাথে তাল মিলিয়ে দল পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সুজনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত মূল্যবান। বিসিবি আগামী দিনে জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে কোনো পরিবর্তন আনে কি না এবং সুজনকে কোনো বড় দায়িত্বে বিবেচনা করে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে দেশীয় ক্রিকেটের স্বার্থে তার এই সদিচ্ছা দেশের ক্রিকেটপ্রেমী ও সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ ইতিবাচক হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক