হেবা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে বিভ্রান্তিকর ও অস্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের দাবি, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের নতুন বিধানের মাধ্যমে হেবা সম্পন্ন না করেও হেবার প্রায় সব কার্যকারিতা প্রয়োগের একটি পৃথক সম্পত্তি হস্তান্তরব্যবস্থা তৈরির পাঁয়তারা চলছে, যা সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওলামা অ্যালায়েন্সের নেতারা জানান, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিভিন্ন ধারায় হেবা বা দানসংক্রান্ত বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর আরও স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন বক্তব্য আসা উচিত ছিল বলে তারা মনে করেন। বিশেষ করে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক হেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে দেশের বিশিষ্ট আলেম ও আইনবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার জোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিচার বিভাগ ও আইনব্যবষ্টাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহারের যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রতিটি আইন প্রণয়ন ও সংশোধনে জনগণের মৌলিক অধিকার এবং ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কিছু আইনগত অস্পষ্টতার কারণে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে, যার দ্রুত অবসান চান সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক