কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার অ্যাস্ট্রিড পুয়েন্তেস রিয়ানো। নিজেদের অর্পিত দায়িত্বের প্রতি সুবিচার করতে এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় এই ধরনের আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।
পরিবেশবাদী ও স্থানীয় সচেতন মহলের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই যুগান্তকারী রায় প্রদান করে। জাতিসংঘের এই শীর্ষ কর্মকর্তা মনে করেন, কক্সবাজার সৈকত কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বালিয়াড়ির ওপর যেকোনো ধরনের বাণিজ্যিক বা অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই বিভিন্ন অপরিকল্পিত মেগা প্রকল্পের নামে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সময়েও কিছু অসাধু চক্র সৈকতের ক্ষতি করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। তবে হাইকোর্টের সময়োপযোগী আদেশের ফলে প্রকৃতিপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করছেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আদালতের এই নির্দেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের যেকোনো হটকারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক