কুড়িগ্রাম জেলায় সারের সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সৃষ্ট সাময়িক অস্থিরতা নিরসনে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। অবৈধ মজুদবিরোধী অভিযান, মজুতকৃত সার উদ্ধার এবং কঠোর মনিটরিংয়ের ফলে বর্তমানে জেলার প্রতিটি উপজেলায় সারের সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা অনেকটাই কমে গেছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে সারের কোনো ঘাটতি নেই। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। জাতীয় রাজনীতি ও দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির পক্ষ থেকেও কৃষকদের মাঝে সঠিক মূল্যে সার বিতরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে ভবিষ্যতে সার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চিরতরে বন্ধ হবে।
উল্লেখ্য, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে বিগত বছরগুলোতে সার সংকটের কারণে কৃষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে সার চেয়েও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান প্রশাসনের কার্যকর তদারকিতে সেই দুঃসময় কাটিয়ে কৃষকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায়ে সার ডিলারদের নিয়মিত মনিটরিং করা হলে অসাধু চক্র আর মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাবে না।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক