ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, শিক্ষক সংবর্ধনা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে এক বর্ণাঢ্য অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে এই মহতী আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করার বহুমুখী ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজ ও সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিকদের আন্দোলনের ফলেই দেশ এক নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার যে অপচেষ্টা হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।
বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদেরও সংবর্ধিত করা হয়। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বক্তারা বলেন, সন্তানদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, বরং নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানের পড়াশোনার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে স্থানীয় সমাজ ও দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এই ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী করে তুলবে এবং তজুমদ্দিন উপজেলার সামগ্রিক শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক