অতীতে নানা কৌশল ও সংবিধানের অপব্যবহার করে কোনো স্বৈরাচার টিকে থাকতে পারেনি। আগামীতেও জনগণের অধিকার উপেক্ষা করে কেউ টিকে থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘকাল ধরে তাদের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। কিন্তু ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ দেশের বিরুদ্ধে এখনো নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের সচেতন জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সফল করতে হলে সব দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বিশেষ করে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে দুর্নীতি ও লুটপাটের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সব সময় দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করে আসছে। অতীতে যারা জনগণের অধিকার হরণ করেছে, কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ তাদের সহযোগীরা কখনোই সফল হতে পারেনি। জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। তাই একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতিকরণের ওপর বিশেষ জোর দেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক