সোমালিয়ার আধা-স্বায়ত্তশাসিত পুন্টল্যান্ড অঞ্চলের বন্দরনগরী বসাসোতে নতুন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দাবি, এই ঘাঁটি থেকে আইএসের বিরুদ্ধে সরাসরি বিমান হামলা, নজরদারি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ামূলক অভিযান পরিচালনা করা হবে। এই সামরিক তৎপরতা নতুন কোনো আঞ্চলিক সংঘাত বা যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
আফ্রিকার দীর্ঘ সংকটপীড়িত দেশ সোমালিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করে আসছে মার্কিন বাহিনী। তবে বসাসো অঞ্চলের এই নতুন গোপন সামরিক স্থাপনা নির্মাণ কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও লোহিত সাগরীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ সোমালিয়া ও আশপাশের এলাকায় নিজেদের সামরিক উপস্থিতি স্থায়ী করার একটি সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা।
স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এই ঘাঁটির মাধ্যমে সোমালিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর আরও জোরালো নজরদারি রাখতে পারবে ওয়াশিংটন। যদিও সোমালিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বড় মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা দানা বাঁধতে শুরু করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক