শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবারও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গ

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

আবারও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে উঠে এসেছে ক্ষমতাচ্যুত ও গণঅভ্যুত্থানে দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গ। শুক্রবার আয়োজিত সেই প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল তার বর্তমান পরিস্থিতি এবং সার্বিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

গত জুলাই ও আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতিপ্রবাহ শুরু হয়েছে। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের ভূমিকা এবং তাদের নীতিগত অবস্থান নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো নিয়মিত নিজেদের মতামত প্রকাশ করে আসছে। বিশেষ করে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান যে, তারা বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর অত্যন্ত গভীরভাবে নজর রাখছেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং জনগণের পারস্পরিক বন্ধুত্বের ওপর তারা সবসময় গুরুত্ব দিয়ে আসছন। তবে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার উপস্থিতি বা তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রতিবেশী দেশটির পক্ষ থেকে কী ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও বিশ্লেষণ অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দীর্ঘমেয়াদী দুঃশাসনের পর দেশের জনগণ এখন একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা দেখতে চায়। এমতাবস্থায় ভারতের পক্ষ থেকে আসা এসব মন্তব্য ও কূটনৈতিক বার্তা বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনৈতিক পথচলায় কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে। গণমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃিততে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক সবসময় স্বচ্ছ এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

আরববাংলা টিভি/ডেস্ক

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD