আগামী ১২ নভেম্বর দেশের প্রথম ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন তথা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ইসি অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ইসি সানাউল্লাহ বিস্তারিত জানিয়ে গণমাধ্যমকে জানান যে, এবার মোট সাতটি ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলায় এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা ও ভোটারদের মাঝে উৎসাহ লক্ষ করা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন আশা প্রকাশ করেছে যে, ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দমতো প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক